কয়রায় একসঙ্গে দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির অভিযোগ
খুলনা প্রতিনিধি : নীতিমালা অনুযায়ী একই ব্যক্তির একসঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুযোগ নেই। কিন্তু তিনি নিয়ম না মেনে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন দুটি প্রতিষ্ঠানেই। এভাবে প্রতারণা চালিয়ে আসা এ ব্যক্তির নাম মো. রোকনুজ্জামান পিতা মোকছেদ হাওলাদার গ্রাম ৫ নং কয়রা, খুলনা।
অভিযোগ উঠেছে তিনি উপজেলার মঠবাড়ী গ্রামের এম,এম দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী পদে দীর্ঘদিন ধরে চাকুরীরত আছে একই সাথে তিনি কয়রা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন অফিসে চাকুরী করছেন। ২০শে জুলাই ২০২১ সালে এম,এম,দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসার সুপারিন্টেেন্ডট মোঃ আব্দুল আলিম স্বাক্ষরিত প্রত্যয়ন প্রদান করেন মোঃ রোকনুজ্জামান অত্র মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন যাবত সহকারী মৌলভী পদে চাকুরীরত আছে। তাছাড়া মোঃ রোকনুজ্জামানের বিরুদ্ধে ৫নং কয়রা গ্রামের নিমাই চন্দ্র মন্ডল পিতা মৃত সুবল কুমার মন্ডল মন্দিরের টাকা আত্নসাতের লিখিত অভিযোগ করেন কয়রা উপজেলা জামায়াতের জামায়াতের আমীরের কাছে।
ইহা ছাড়াও তার স্ত্রী রোজিনা পারভীন কয়রা সদর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ৫নং কয়রা গ্রামের গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালিত স্কুলের শিক্ষিকা হয়েও হতদরিদ্রদের ভিজিডি কার্ডের ১১৫ নং সিরিয়ালে নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। এ বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে লেখালেখি হয়। দুই প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর বিষয়ে রোকনুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান মাদ্রাসায় বেতন হয়নি সে জন্য আমি পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন অফিসে চাকুরী করি।